মুরাদনগর প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার কামাল্লা ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম মামুন সরকারের বিরুদ্ধে এক গৃহবধূকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত মামুন কামাল্লা গ্রামের মৃত আবুল হোসেন সরকারের ছেলে ও ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।
এলাকা ঘুরে জানা যায় যে, ঈদুল আজহা পর দিন গত ২৯ মে শুক্রবার সকাল প্রায় ১১ ঘটিকার সময়ে মামুনের মুদি দোকানে সদায় ক্রয় করার জন্য যায় ভিকটিম গৃহবধু। দোকানে কেউ না থাকার সুযোগে গৃহবধুকে জাপটে ধরে শ্লীলতাহানির চেষ্ঠা করে মামুন। ওইসময় গৃহবধু আত্মচিৎকার শুনে রাস্তায় দিয়ে যাওয়ার সময় এক মহিলা এগিয়ে আসে।
এ খবর ছড়িয়ে পরলে গৃহ বধুর স্বামী মামলা করার প্রস্তুতি নিলে ও যুবলীগ নেতার দাপটে, হুমকির ভয়ে মামলা না করে সামাজিক ভাবে মিমাংসা করার চেষ্টা চালায়। এনিয়ে গত বৃহস্পতিবার ওই গ্রামের আনোয়ার মেম্বারের পাশের বাড়ীতে এক শালিসি বৈঠক বসে। তবে ভিকটিমের স্বামী অসুস্থ থাকায় শালিসি স্থগিত করা হয়।
ওই শালিসে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ইউপি সদস্য আনোয়ারা মেম্বার, সাবেক মেম্বার সালাউদ্দিন আহমেদসহ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যক্তি ও গ্রামের যুব সমাজ উপস্থিত ছিলেন। গত এক বছর পূর্বে মেহেদী নামের এক জনের স্ত্রী কে মামুন দোকানের ভিতরে ধর্ষণ করার অভিযোগে এক দম্পতির সুখের সংসার ভেঙে গিয়েছিলো। এ বিষয়ে মেহেদী বলেন আমার একটি সন্তান আছে, মামুনের কারনে আমার সংসার ভেঙে গেছে আমি তার বিচার চাই।
গত তিন বছর পূর্বে আরো একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে ধর্ষনের অভিযোগ উঠলে মেয়েটির পরিবার মেয়ের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মামুনের ভয়ে মামলা করতে পারেনি।
তার এমন কর্মকান্ডকে কেন্দ্র করে যুবকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে, যেকোন সময় পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যেতে পারে।
অভিযুক্ত মাহবুবুল আলম মামুন সরকার বলেন, আমার দোকান ওই মহিলা এসেছিল। আমি মহিলাকে জড়িয়ে ধরি নাই। কিছু মহিলা আমার বিরুদ্ধে প্রপাগাণ্ডা ছড়াইছে। আমি এসবের সাথে জড়িত নই।