ছবির ক্যাপশন: আহত সাইদুল ও শামীম আহমেদ
আবুল কালাম আজাদ, মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধিঃ সাইদুল ও শামীম আহমেদ নামে দুই যুবককে চোর সন্দেহ হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে স্থানীয়রা। গণপিটুনির পর ওই যুবকদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা ২২ নং টনকি ইউনিয়ন কমলপুর গ্রামের এই ঘটনা ঘটে।
ইউপির সদস্য জাহাঙ্গীর আলম, জসিম উদ্দিন ও লালন মেম্বার, সমাজ সেবক কুদ্দুস মিয়া ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অতি সম্প্রতি কমলাপুর গ্রামের প্রবাসী সাইপ্রাস বাবু ও শহিদ মিয়া মেয়ের বাড়ীতে স্বর্নকার টাকা নিয়ে যায়। চোর আতংকে গ্রামের কয়েকজন যুবক রাত জেগে পাহারা দেন।
এমতাবস্থায় শনিবার (৬ জন) ভোর রাতে উপজেলার টনকি ইউনিয়ন ৩ নং ওয়ার্ডের কমলপুর গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে যাত্রাপর ইউনিয়ন মোচাগড়া গ্রামের বাজারে পশ্চিম পাশে সাইদুল ইসলাম রাস্তা দিয়ে হেটে হেটে মোচাগড়া গ্রামের বাড়ীতে যাচ্ছিল। তাকে চোর সন্দেহ আটক করে মারধর করে। তাকে
জিজ্ঞেসাবাদে কমলপুর গ্রামের শামীম আহমেদ কয়েক বছর আগে চোরি করতে এখন চোরি করে না। এতে গ্রামবাসীর সন্দেহে শামীম আহমেদকে ঘোমের ঘর থেকে তুলে এনে কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বেঁধে রেখে গ্রামের কয়েকজন যুবক হাতুড়ি পিটা করে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ পতংঙ্গ ভেঙে দেয়।
মোচাগড়া গ্রামের চোর সাইদুল ইসলাম বলেন, কমলাপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদসহ লোকজন জড়ো হয়ে কমলাপুর গ্রামের শামীম আহমেদকে ঘুম থেকে তুলে এনে দুইজনকে চোর সন্দেহ হাতুড়ি পিটা ও গণপিটুনি দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে রাখে।
স্থানীয়রা বিষয়টি বাঙ্গরাবাজার থানা পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ এসে তাদেরকে উদ্ধার করে মুরাদনগর স্বাস্থ্যেকম্পেক্স নিয়ে গেলে অবস্থা বেগতিক দেখলে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা কোচাইতুলি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য প্রেরণা করেন।
বাঙ্গরা বাজার থানা এসআই মোঃ ফেরদৌস আহমেদ সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আপনি বিকালে থানায় আসেন। এসব কথা ফোনে বলতে চাই না। চায়ের দাওয়াত রইল বলে মুঠোফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।