লাকসাম প্রিতিনিধি: জাতীয় সংসদের আসন নম্বর ২৫৭—কুমিল্লা–৯ (লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ)–এ নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৬ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্ধারিত ন্যূনতম ভোট না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন— ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মো. আবু বকর ছিদ্দিক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সেলিম মাহমুদ, জাতীয় পার্টি (জাপা)-এর মোঃ গোলাম মোস্তফা কামাল, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তি জোটের মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল কাশেম ও সামিরা আজিম।
নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, কুমিল্লা–৯ আসনের অধিকাংশ ভোট কেন্দ্রীভূত হয়েছে দুই প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে। তারা হলেন-বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর মোঃ আবুল কালাম এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র ছৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দীন ছিদ্দীকি।
মনোহরগঞ্জ ও লাকসামের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের বড় অংশ এই দুই প্রার্থীর পক্ষেই ভোট দিয়েছেন বলে ফলাফল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। ফলে অন্য প্রার্থীরা উল্লেখযোগ্য ভোটসংখ্যা অর্জন করতে ব্যর্থ হন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানান, শুরু থেকেই এই আসনে মূল লড়াই ছিল বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে। চূড়ান্ত ফলাফলও সেই পূর্বাভাসেরই প্রতিফলন ঘটিয়েছে।
এদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিক ফেসবুক বার্তায় দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে অপ্রচার চালানো হয়েছিল যে তিনি অন্য এক প্রার্থীকে সমর্থন করেছেন। এ ধরনের প্রচারণাই তার ফলাফল বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভোটের মেরুকরণ ও দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণেই ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা কার্যত প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে পড়েন।
নিউজটি পোস্ট করেছেন :
স্টাফ রিপোর্টার