ঢাকা | , ১২ মাঘ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নাঙ্গলকোটে প্রবাসীর দোকান ভাঙচুর লুটপাট থানায় অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Feb 15, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: ভাংচুরকৃত দোকান ছবির ক্যাপশন: ভাংচুরকৃত দোকান
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে দাবীকৃত চাঁদা না দেয়ায় প্রকাশ্যে আবদুল কাইয়ূম নামে এক প্রবাসীর দোকানঘর ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে  গত বৃহস্পতিবার উপজেলার মৌকরা চৌরাস্তার মৌড় এলাকায় হাজী লকিয়ত উল্লাহ টাওয়ারের সীমা এন্টার প্রাইজে এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। 

খবর পেয়ে সেনাবাহীনির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে  লুটপাটকারীরা পালিয়ে যায়। এঘটনায় প্রবাসীর স্ত্রী পারুল বেগম কান্নাজড়িত কন্ঠে প্রশাসনের নিকট চাঁদাবাজ মানিক মিয়াসহ তার ছেলেদের বিচার দাবী করেন।  

প্রবাসী আবদুল কাইয়ূম অভিযোগ করে বলেন, মৌকরা মৌড় এলাকায় আমার একটি মার্কেট রয়েছে। সেখোনে রেস্টুরেন্ট, হোটেল, ভাড়াটিয়া ও আমার বস্ত্র বিতানের একটি শো রুম আছে। ৫ আগস্টের পর মৌকরা গ্রামের মানিক ও তার ছেলেরা ফোনের মাধ্যমে আমার কাছে ৩ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। পরে আমি তাদের দাবীকৃত টাকা দেইনি। 

এরকিছুদিন পর আমি বাড়ী গেলে তারা আবার ৬ লাখ টাকা দাবী করে। এরপরও তাদেরকে আমি কোন টাকা দেইনি। টাকা না দেয়ায় তারা আমার ছেলেকে গুম করেছিলো। এঘটনায় আমি সেনাবাহীনির সহযোগীতায় আমার ছেলেকে উদ্ধার করি এবং আমি তাদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর মামলা করেছি। মামলা চলমান অবস্থায় তারা আমার দোকান ভাঙচুর, মালামাল লুট ও সিসি ক্যমরাসহ আসবাবপত্র তছনছ করে দেয়।
 
এ বিষয়ে প্রবাসীর স্ত্রী পারুল বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, মানিক মিয়া, তার ছেলে বাবু, রানা ও রাফিসহ প্রায় ২০-৩০ জনের একটি গ্রুপ নির্বাচনের দিন বিকেলে ভোটচলা অবস্থায় আমাদের দোকান ভাঙচুর করে মালামাল নিয়ে গেছে। এতে প্রায় নগদ টাকাসহ ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। আমি তাদের বিচার চাই। কেন তারা বার বার এ ধরনের কাজ করতেছে আমাদের উপর। 

অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মানিক মিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি বিএনপির প্রোগ্রামে আছি বলে লাইন কেটে দেয়।
 
এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : স্টাফ রিপোর্টার

কমেন্ট বক্স

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ